⚠️ মনোযোগ দিন: গল্পটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এই দীর্ঘ গল্পের কোথাও একটি লাল পতাকা (🚩) লুকানো আছে। সেটি খুঁজে বের করে তার ওপর ক্লিক করলেই আপনার আজকের টাস্ক কমপ্লিট করার লিঙ্কটি ওপেন হবে।
অন্ধকারের যাত্রী
(এখানে আপনার বিশাল গল্প শুরু হবে...)
রাত তখন তিনটা। শহরের রাস্তাগুলো নিস্তব্ধ, শুধু স্ট্রিট লাইটের টিমটিমে আলোয় কুয়াশার নাচানাচি দেখা যাচ্ছে। আরিয়ান জানতো না আজ তার জীবনের মোড় ঘুরে যাবে। তার হাতে থাকা পুরনো ডায়েরিটা কাঁপছিল। ডায়েরির পাতায় পাতায় লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর সত্য।
সে যখন পরিত্যক্ত লাইব্রেরির দিকে পা বাড়ালো, বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ তাকে সাবধান করে দিচ্ছিল। দেয়ালে জমে থাকা শ্যাওলা আর ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে আসা চাঁদের আলোয় জায়গাটাকে নরকের প্রবেশদ্বার মনে হচ্ছিল। আরিয়ান পকেট থেকে টর্চটা বের করলো। টর্চের আলো সোজা গিয়ে পড়লো ধুলোমাখা এক আলমারির ওপর।
সেখানে রাখা বইগুলো যেন বছরের পর বছর ধরে কারো স্পর্শের অপেক্ষায় ছিল। হঠাৎ একটা খসখসে শব্দ শোনা গেল। আরিয়ান চমকে উঠলো। পেছনে কেউ নেই, কিন্তু মনে হচ্ছে কেউ একজন তাকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। তার ঘাড়ের কাছে ঠান্ডা নিঃশ্বাস অনুভব করলো সে।
দীর্ঘ সময় ধরে সে খুঁজতে লাগলো সেই সংকেত। প্রতিটি আলমারি, প্রতিটি তাক তন্ন তন্ন করে খুঁজল। ঠিক তখনই সে একটি পুরনো মানচিত্র দেখতে পেল। মানচিত্রের এক কোণে ছোট করে আঁকা ছিল একটি বিশেষ চিহ্ন। আরিয়ান তার আঙুল দিয়ে মানচিত্রের ধুলো মুছতেই দেখতে পেল সেখানে খুব সাবধানে বসানো আছে একটি 🚩 লাল পতাকার চিহ্ন।
এই পতাকাটি দেখার সাথে সাথেই আরিয়ানের কানে একটি যান্ত্রিক আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হলো। সে বুঝতে পারলো, সে একা নয়। এই রহস্যের সমাধান পেতে হলে তাকে আরও গভীরে যেতে হবে। কিন্তু আজকের মতো এই সংকেতই তার জন্য যথেষ্ট ছিল।
পরবর্তী ধাপগুলো ছিল আরও কঠিন। কিন্তু আরিয়ানের সাহস তাকে থামতে দিল না। সে জানত, সত্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে হলে তাকে এই প্রতিকূলতা জয় করতেই হবে।
রাত তখন তিনটা। শহরের রাস্তাগুলো নিস্তব্ধ, শুধু স্ট্রিট লাইটের টিমটিমে আলোয় কুয়াশার নাচানাচি দেখা যাচ্ছে। আরিয়ান জানতো না আজ তার জীবনের মোড় ঘুরে যাবে। তার হাতে থাকা পুরনো ডায়েরিটা কাঁপছিল। ডায়েরির পাতায় পাতায় লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর সত্য।
সে যখন পরিত্যক্ত লাইব্রেরির দিকে পা বাড়ালো, বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ তাকে সাবধান করে দিচ্ছিল। দেয়ালে জমে থাকা শ্যাওলা আর ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে আসা চাঁদের আলোয় জায়গাটাকে নরকের প্রবেশদ্বার মনে হচ্ছিল। আরিয়ান পকেট থেকে টর্চটা বের করলো। টর্চের আলো সোজা গিয়ে পড়লো ধুলোমাখা এক আলমারির ওপর।
সেখানে রাখা বইগুলো যেন বছরের পর বছর ধরে কারো স্পর্শের অপেক্ষায় ছিল। হঠাৎ একটা খসখসে শব্দ শোনা গেল। আরিয়ান চমকে উঠলো। পেছনে কেউ নেই, কিন্তু মনে হচ্ছে কেউ একজন তাকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। তার ঘাড়ের কাছে ঠান্ডা নিঃশ্বাস অনুভব করলো সে।
দীর্ঘ সময় ধরে সে খুঁজতে লাগলো সেই সংকেত। প্রতিটি আলমারি, প্রতিটি তাক তন্ন তন্ন করে খুঁজল। ঠিক তখনই সে একটি পুরনো মানচিত্র দেখতে পেল। মানচিত্রের এক কোণে ছোট করে আঁকা ছিল একটি বিশেষ চিহ্ন। আরিয়ান তার আঙুল দিয়ে মানচিত্রের ধুলো মুছতেই দেখতে পেল সেখানে খুব সাবধানে বসানো আছে একটি 🚩 লাল পতাকার চিহ্ন।
এই পতাকাটি দেখার সাথে সাথেই আরিয়ানের কানে একটি যান্ত্রিক আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হলো। সে বুঝতে পারলো, সে একা নয়। এই রহস্যের সমাধান পেতে হলে তাকে আরও গভীরে যেতে হবে। কিন্তু আজকের মতো এই সংকেতই তার জন্য যথেষ্ট ছিল।
পরবর্তী ধাপগুলো ছিল আরও কঠিন। কিন্তু আরিয়ানের সাহস তাকে থামতে দিল না। সে জানত, সত্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে হলে তাকে এই প্রতিকূলতা জয় করতেই হবে।
0 Comments