দ্য সাইলেন্ট ভিলেজ
(গল্প শুরু...)
রাত তখন গভীর। কুয়াশায় ঢাকা নির্জন গ্রামটির নাম ছিল 'নিশিনগর'। লোকমুখে শোনা যায়, এই গ্রামে একবার যারা ঢোকে, তারা আর কোনোদিন ফিরে আসে না। আরিয়ান একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে এই গ্রামের রহস্য ভেদ করতে এসেছিল। তার সাথে ছিল মাত্র একটি পুরনো টর্চলাইট আর একটি ডায়েরি।
গ্রামের চারপাশটা অদ্ভুত রকমের নিস্তব্ধ। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল না। আরিয়ান যখন গ্রামের পুরনো জমিদার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল, তার গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল। বিশাল গেটটা মরচে ধরা, যেন শত বছর ধরে কেউ তা খোলেনি। সে যখন ধীর পায়ে ভেতরে ঢুকল, হঠাৎ একটা ছায়া জানালার পাশ দিয়ে সরে গেল।
সে লাইব্রেরি ঘরে ঢুকে পড়ল। ধুলোবালির এক বিশাল সাম্রাজ্য সেখানে। প্রতিটি বই যেন কোনো এক অজানা ইতিহাসের সাক্ষ্য দিচ্ছে। সে বইয়ের তাকগুলো খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। হঠাৎ তার নজর কাড়ল একটি লাল রঙের মলাট দেওয়া ডায়েরি। ডায়েরিটা খুলতেই এক অদ্ভুত দৃশ্য তার চোখে পড়ল। ডায়েরির ঠিক মাঝখানের পাতায় খুব ক্ষুদ্র অক্ষরে কিছু একটা লেখা ছিল।
আরিয়ান তার টর্চলাইটের আলো ফেলল সেখানে। অক্ষরগুলো যেন নড়াচড়া করছিল। সে যখন ধুলো মুছল, হঠাৎ দেখতে পেল অক্ষরের ভিড়ে লুকিয়ে আছে একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র 🚩 চিহ্ন। এই পতাকাই ছিল সেই ম্যাপের চাবিকাঠি যা দিয়ে গ্রামের লুকানো গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
(গল্পের বাকি অংশ আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী আরও দীর্ঘ করতে পারেন...) আরিয়ান জানত না যে এই পতাকায় ক্লিক করা মাত্রই গ্রামের প্রাচীন মন্দিরের ঘণ্টা বাজতে শুরু করবে। সেই যান্ত্রিক ঘণ্টার আওয়াজ যেন সারা গ্রামকে জাগিয়ে তুলল। বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ তীব্র হতে লাগল। সে বুঝতে পারল, তার কাজ শেষ হয়েছে। এখন তাকে দ্রুত এই স্থান ত্যাগ করতে হবে।
রাত তখন গভীর। কুয়াশায় ঢাকা নির্জন গ্রামটির নাম ছিল 'নিশিনগর'। লোকমুখে শোনা যায়, এই গ্রামে একবার যারা ঢোকে, তারা আর কোনোদিন ফিরে আসে না। আরিয়ান একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে এই গ্রামের রহস্য ভেদ করতে এসেছিল। তার সাথে ছিল মাত্র একটি পুরনো টর্চলাইট আর একটি ডায়েরি।
গ্রামের চারপাশটা অদ্ভুত রকমের নিস্তব্ধ। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল না। আরিয়ান যখন গ্রামের পুরনো জমিদার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল, তার গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল। বিশাল গেটটা মরচে ধরা, যেন শত বছর ধরে কেউ তা খোলেনি। সে যখন ধীর পায়ে ভেতরে ঢুকল, হঠাৎ একটা ছায়া জানালার পাশ দিয়ে সরে গেল।
সে লাইব্রেরি ঘরে ঢুকে পড়ল। ধুলোবালির এক বিশাল সাম্রাজ্য সেখানে। প্রতিটি বই যেন কোনো এক অজানা ইতিহাসের সাক্ষ্য দিচ্ছে। সে বইয়ের তাকগুলো খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। হঠাৎ তার নজর কাড়ল একটি লাল রঙের মলাট দেওয়া ডায়েরি। ডায়েরিটা খুলতেই এক অদ্ভুত দৃশ্য তার চোখে পড়ল। ডায়েরির ঠিক মাঝখানের পাতায় খুব ক্ষুদ্র অক্ষরে কিছু একটা লেখা ছিল।
আরিয়ান তার টর্চলাইটের আলো ফেলল সেখানে। অক্ষরগুলো যেন নড়াচড়া করছিল। সে যখন ধুলো মুছল, হঠাৎ দেখতে পেল অক্ষরের ভিড়ে লুকিয়ে আছে একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র 🚩 চিহ্ন। এই পতাকাই ছিল সেই ম্যাপের চাবিকাঠি যা দিয়ে গ্রামের লুকানো গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
(গল্পের বাকি অংশ আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী আরও দীর্ঘ করতে পারেন...) আরিয়ান জানত না যে এই পতাকায় ক্লিক করা মাত্রই গ্রামের প্রাচীন মন্দিরের ঘণ্টা বাজতে শুরু করবে। সেই যান্ত্রিক ঘণ্টার আওয়াজ যেন সারা গ্রামকে জাগিয়ে তুলল। বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ তীব্র হতে লাগল। সে বুঝতে পারল, তার কাজ শেষ হয়েছে। এখন তাকে দ্রুত এই স্থান ত্যাগ করতে হবে।
0 Comments